Posts

Showing posts from July, 2025

মিসওয়াকের ৫৪টি উপকারিতা

মিসওয়াকের ৫৪টি উপকারিতা:-  ০১. আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট হন। ০২. ফেরেশতারা খুশি হন। ০৩. ফেরেশতারা তার সাথে মোসাফাহা করেন। ০৪. ফেরেশতারা তার প্রশংসা করেন। ০৫. নামায পড়তে বের হলে ফেরেশতারা তাকে অভ্যর্থনা জানায়। ০৬. মসজিদ থেকে বের হলে ফেরেশতারা তার পিছনে পিছনে চলেন। ০৭. আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমার দু'আ করেন, যখন সে মসজিদে থেকে বের হয়। ০৮. ফেরেশতারা তাকে নবী রসুলগণের অনুসারী বলেন। ০৯. নবী রসুলগণ তার জন্য মাগফিরাতের দু'আ করেন। ১০. শয়তান অসন্তুষ্ট হয়। ১১. শয়তান বিতারিত হয়। ১২. প্রয়োজন মিটাতে সাহায্য করে। ১৩. হযরত আলি রাযি. ও হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, মেসওয়াক করার বরকতে রিজিক সহজে উপার্জন হয়। ১৪. নামাজের ফজিলত ৭০ গুণ বৃদ্ধি করে দেয় হয়। আর ইমাম আবু জাফর তাহাবি রহ. থেকে বর্ণিত, নামাযের ফযিলত ৯৩ গুণ থেকে ৪০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধির বর্ণনা করা পাওয়া যায়। ১৫. বাকশক্তি সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয়। ১৬. কন্ঠস্বর সুন্দর করে। ১৭. মুখ পরিষ্কার করে।  ১৮. জিহ্বা পরিষ্কার করে। ১৯. চাহিদা পরিচ্ছন্ন করে। ২০. দাঁতের শুভ্রতা ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ২১. মুখে সুঘ্রাণ আনে। ২২. মুখের দুর্গন্ধ...

সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইত সম্পর্কিত আদাব

বিসমিল্লাহ  (সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইত সম্পর্কিত আদাব) ১. আম্বিয়ায়ে কেরামের পর, সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইত জগতের সবচেয়ে সম্মানিত আর শ্রেষ্ঠ মানুষ। তাদেরকে মহব্বত করা ঈমানের অংশ। ২. আহলে বাইত বলে প্রথমত উম্মাহাতুল মুমিনীন উদ্দেশ্য। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সন্তান-সন্ততি, মেয়েজামাই, নাতিনাতকুর। ৩. সাহাবায়ে কেরামকে আল্লাহর বাছাই করা, পাক্কা-সাচ্চা মুমিন বিশ্বাস করব। ৪. সাহাবায়ে কেরামকে আদেল-ইনসাফকারী বিশ্বাস করব। সাহাবায়ে কেরাম আদেল হওয়ার অর্থ, শরিয়তের বিধিবিধানের ব্যাপারে তাদেরকে সাক্ষ্যদানের উপযুক্ত মনে করা, তাদের কথাকে সত্যিকার সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা। ইসলামী শরিয়াত দাঁড়িয়ে আছেই সাহাবায়ে কেরামের বর্ণনা আর সাক্ষ্যের ওপর। হোক সেটা কুরআন বা হাদীস। আমরা সাহাবায়ে কেরামের বর্ণনার মাধ্যমেই কুরআন ও হাদীস পেয়েছি। সাহাবায়ে কেরামের বর্ণনা ও সাক্ষ্য সঠিক মানতে গেলে অবধারিতভাবে তাদের ব্যক্তিত্বকেও আদেল মানতে হয়। ৫. সাহাবায়ে কেরামকে ‘মাহফুজ’-সুরক্ষিত বিশ্বাস করব। মাহফুজ মানে, মানবীয় প্রবৃত্তির তাড়নায় যদি কোনো সাহাবী কখনো কোনো ভুল করেও বসেন, আল্লাহ তাআলা তাদের আমলনামা...

নখ সম্পর্কিত আদাব

বিসমিল্লাহ                          নখ সম্পর্কিত আদাব ১. প্রতি জুমাবারে নখ কাটার চেষ্টা করব। কোনো কারণে সম্ভব না হলে, পনের দিনের মধ্যে অবশ্যই নখ কেটে ফেলব। কোনো অবস্থাতেই ৪০ দিনের বেশি নখ না কেটে রেখে দেয়া গুনাহ। ২. কর্তিত নখ সম্ভব হলে মাটির নিচে দাফন করে ফেলা উত্তম। যেখানে সেখানে, ময়লার ঝুড়িতে খোলামেলাভাবে কর্তিত নখ ফেলা উচিত নয়। অন্য কোনো ‍উপায় না থাকলে, কিছু একটাতে মুড়িয়ে ফেলা যেতে পারে। ৩. দাঁত দিয়ে নখ কাটা উচিত নয়। ব্লেড বা নেইলকাটার ব্যবহার করা উত্তম। ৪. নখ কাটার কোনো মাসনুন তরিকা হাদীসে বর্ণিত হয়নি। ডানদিক প্রাধান্য দেয়ার সুন্নত অনুসরণ করার নিয়তে, ডানহাতের কনিষ্ঠা থেকে শুরু করে বৃদ্ধাঙ্গুলি হয়ে বামহাতের কনিষ্ঠাতে গিয়ে নখ কাটা শেষ করতে পারি। পায়ের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা। কোনো কোনো আলিম এমনও বলেছেন, প্রথম ডানহাতের তর্জনি (শাহাদাত আঙুল Index finger) থেকে শুরু করে বামহাতের কনিষ্ঠা হয়ে ডানহাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে গিয়ে শেষ হবে। ৫. নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখা জরুরি। নখের নিচে যেন ময়লা জমে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। ৬. ...

আতর মাখার আদাব

বিসমিল্লাহ                     আতর মাখার আদাব ১. সুন্দর সুবাসময় আতর মাখা উচিত। ২. পুরুষ নিজের দাড়ি ও মাথার চুলে আতর মাখাতে পারেন। ৩. নারীরা নিজের ঘরে আতর-সুবাস মাখবেন। কোনো অবস্থাতেই ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় সুবাস ব্যবহার করবেন না। ৪. স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে আতর-সুবাস মাখিয়ে দিবেন। ৫. স্ত্রী নিজে উদ্যোগী হয়ে স্বামীকে সুবাস মাখিয়ে দিবেন। ৬. আতর প্রথমে হাতের তালুতে নিয়ে, দুই হাতে আতর ভালোভাবে ঘষে কাপড়ে ও শরীরে মাখা উত্তম। ৭. একসাথে একাধিক আতর হাতের তালুতে মিশিয়ে ব্যবহার করলে সুবাস স্থায়ী হয়। ৮. নিন্মোক্ত সময়ে আতর মাখা উত্তম- কুরআন তিলাওয়াতকালে। হাদীস শরীফ অধ্যয়নকালে। আল্লাহর জিকির করার সময়। ওজুর পর। জুমার দিন। দুই ঈদের দিন। এহরামের নিয়ত করার সময়। কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে। সংসারি নারীগণ দিনের কাজকর্ম শেষ করে শোয়ার আগে, মাসিক শেষ হওয়ার পর নামাজ শুরু করার আগে।

শ্রম বিধিমালা, ২০১৫

  রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১ বাংলাদেশ গণ প্রজাত বাংলাদেশ ** সরকার অতিরিক্ত সংখ্যা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় । প্রজ্ঞাপন গেজেট তারিখ: ৩১ ভাদ্র, ১৪২২ বঙ্গাব্দ/১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫।—বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন) এর ধারা ৩৫১-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নরূপ বিধিমালা প্রণয়ন করিল, যথা:— প্রথম অধ্যায় প্রারম্ভিক ১। শিরোনাম ও প্রবর্তন।—(১) এই বিধিমালা বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে। (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে। ২। সংজ্ঞা (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়— (ক) “আইন” অর্থ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২নং আইন); (খ) “উপযুক্ত ব্যক্তি” অর্থ এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার বা মহাপরিদর্শক বা শ্রম পরিচালক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মনোনীত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ; (গ) “উত্তোলক যন্ত্র (Lifting machinery)” অর্থ ক্রেন (Crane), উইঞ্চ (Winche), হয়েস্ট (Hoists), ডেরিক বুম (Derrick Boom), ড...